বিশ্ববাজারে সরাসরি বিক্রির পথ খুললো, বি-টু-সি রপ্তানিতে শিথিলতা
Published : ১৪:১৫, ১৬ জুন ২০২৬
বৈদেশিক মুদ্রাসংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা ব্যবসা-থেকে-ভোক্তা (বি-টু-সি) ভিত্তিক রপ্তানি কার্যক্রমকে সহজ করবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
নতুন নির্দেশনার ফলে দেশের রপ্তানিকারকেরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে পণ্য তালিকাভুক্ত ও প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। এতে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়বে।
সোমবার (১৫ জুন) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, রপ্তানিকারকেরা প্রতি চালানে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের ক্ষুদ্র পণ্য সিএফআর শর্তে রপ্তানি করতে পারবেন। এছাড়া এক হাজার ডলার পর্যন্ত চালানের ক্ষেত্রে ইএক্সপি ফরম দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
তবে এ ধরনের রপ্তানির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেল বা অনুমোদিত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে অগ্রিম গ্রহণ করতে হবে। নতুন ব্যবস্থায় শিপিং ডকুমেন্টও সরাসরি বিদেশি ক্রেতার নামে ইস্যু করা যাবে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সাবস্ক্রিপশন, নিবন্ধন, সদস্যপদ ও অন্যান্য সেবামূলক ফি পরিশোধে বিদেশে অর্থ পাঠানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।
নির্দেশনায় বিদেশি ক্রেতাদের জন্য অর্থ ফেরতের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পণ্য ফেরত আসা বা নিম্নমানের পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকেরা ক্রেতাকে অর্থ ফেরত দিতে পারবেন।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ই-কমার্স কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। এর ফলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা মধ্যবর্তী ব্যবসায়িক ধাপ এড়িয়ে সরাসরি বৈশ্বিক ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন, যা রপ্তানি ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
এমএএইচ
















