মঙ্গলবার; ১০ মার্চ ২০২৬; ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রক্সি মিনস টেস্টে নির্বাচিত পরিবার পাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

প্রক্সি মিনস টেস্টে নির্বাচিত পরিবার পাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’

-ইনফোটেক ইনসাইট রিপোর্ট

Published : ১৩:৫৫, ১০ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর কড়াইল বস্তির নারীপ্রধান দরিদ্র পরিবারের হাতে স্পর্শবিহীন চিপ ও কিউআর কোডসম্বলিত ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়ে নতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে উপকারভোগী নির্বাচন করে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডে স্পর্শবিহীন (কন্টাক্টলেস) চিপ, কিউআর কোড এবং এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। জি-টু-পি (গভর্নমেন্ট টু পার্সন) পদ্ধতিতে ভাতার অর্থ সরাসরি উপকারভোগী নারীর ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ওয়ালেটে জমা হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে ল্যাপটপের এন্টার বাটন চেপে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রথম ফ্যামিলি কার্ড গ্রহণ করেন রিনা আক্তার। এরপর পর্যায়ক্রমে সুমী খাতুন, আকলিমা বেগম ও মিনারা বেগম কার্ড গ্রহণ করেন।

কার্ড প্রদান শেষে প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে এন্টার চাপ দিয়ে ভাতাভোগীদের জন্য নির্ধারিত সরকারি নগদ সহায়তা ছাড় করেন। সঙ্গে সঙ্গেই পর্দায় বার্তা ভেসে ওঠে- ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট পর্যায়ের ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন ভাতাভোগীর মার্চ ২০২৬ মাসের ভাতার অর্থ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে আইবাস++ সিস্টেমে সফলভাবে পাঠানো হয়েছে। একই সময় ভাতাগ্রহীতাদের মোবাইল ফোনে অর্থ জমা হওয়ার বার্তাও পৌঁছে যায়।

পাইলট পর্যায়ে সারা দেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, আবাসন এবং জীবনযাত্রার মান যাচাই করে একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হয়। কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা স্বজনপ্রীতি এড়াতে পিএমটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দারিদ্র্যের সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে।

যাচাই-বাছাই শেষে ডাবল ডিপিং (একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি বা পেনশন সুবিধা পাওয়া পরিবারগুলো বাদ দেওয়া হয়। পরে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই সহায়তার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে উপকারভোগীরা মাসে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন। এনআইডি কার্ডের আদলে তৈরি প্রতিটি কার্ডে ভাতাগ্রহীতার ছবি, নাম, পিতা-মাতা বা স্বামী-স্ত্রীর নাম এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ রয়েছে।

এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পাইলট পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এমএএইচ

শেয়ার করুনঃ