পুরোনো ল্যাপটপ আমদানিতে অনুমতি বা কড়াকড়ি কার্যকরের দাবি
Published : ১১:৫১, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পুরোনো ল্যাপটপ আমদানিতে অনুমতি দেওয়া অথবা এ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ কঠোরভাবে কার্যকর করার দাবি উঠেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রাক্-বাজেট আলোচনায়।
শনিবার ঢাকার আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় দুই দফায় আটটি সংগঠন তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরে।
এর মধ্যে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) কম্পিউটারকে শিক্ষাসামগ্রী হিসেবে বিবেচনা করে এর যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেয়।
সংগঠনটির তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৯ শতাংশ মানুষ কম্পিউটার ব্যবহার করেন। একটি কম্পিউটারের গড় দাম ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা হওয়ায় এর ব্যবহার সীমিত রয়েছে।
বিসিএসের সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “মনিটর আমদানিতে ৪০ শতাংশ, ফায়ারওয়াল যন্ত্রপাতিতে ৪০ শতাংশ এবং এসএসডিতে ৬০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এসব শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হলে কম্পিউটার ব্যবহার বাড়বে।”
তিনি বলেন, এতে বেকার তরুণদের ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্ত করা সহজ হবে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা পুরোনো ল্যাপটপ আমদানির ক্ষেত্রে স্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন অথবা বিদ্যমান বিধিনিষেধ কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন।
জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, “দীর্ঘ সময় শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। স্কুলে ল্যাব করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কয়টা কাজে লেগেছে?”
তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে একটি শ্রেণিকক্ষ ল্যাব হিসেবে ব্যবহার করায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এমএএইচ














