শুক্রবার; ২৬ জুন ২০২৬; ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

টেলিকম খাতে হাজার কোটি টাকার দাবি, প্রশ্ন তুললো এমটব ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

টেলিকম খাতে হাজার কোটি টাকার দাবি, প্রশ্ন তুললো এমটব

-ইনফোটেক ইনসাইট রিপোর্ট

Published : ১৩:৩৫, ২৫ জুন ২০২৬

দেশের চার মোবাইল অপারেটরের কাছে সরকারের ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের কাছে ৬ হাজার ১০২ কোটি টাকা, টেলিটকের কাছে ৫ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা, রবির কাছে ৬১৫ কোটি টাকা এবং বাংলালিংকের কাছে ৪৭৩ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

তবে এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এমটব বলেছে, আলোচিত অর্থের বড় অংশই সরাসরি বকেয়া নয়; বরং ভ্যাট, রাজস্ব ভাগাভাগি, অডিট আপত্তি এবং লাইসেন্স শর্তের ব্যাখ্যা-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির দাবি, অপারেটররা বিটিআরসিকে বিভিন্ন অর্থ পরিশোধ করলেও প্রয়োজনীয় ভ্যাট চালান সংগ্রহে জটিলতার কারণে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিটের সুবিধা পায়নি। এছাড়া রাজস্ব ভাগাভাগির অর্থের ওপর ভ্যাট আরোপের বিষয়টি দ্বৈত করের ঝুঁকি তৈরি করেছে বলে তাদের বক্তব্য।

এমটব বলেছে, নিরীক্ষা কার্যক্রমে লাইসেন্স শর্তের ভিন্ন ব্যাখ্যা থেকেও বিপুল অঙ্কের বিতর্কিত দাবি তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় সেগুলোকে চূড়ান্ত বকেয়া হিসেবে উপস্থাপন করা বাস্তব চিত্র প্রতিফলিত করে না।

সংগঠনটি বলেছে, আদালতের শরণাপন্ন হওয়া দায়িত্ব এড়ানোর প্রচেষ্টা নয়; বরং আইনগত বিরোধ নিষ্পত্তির স্বীকৃত প্রক্রিয়া। নিয়ন্ত্রক ও কর-সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে স্বচ্ছতা এবং আইনি নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অপারেটরদের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে তারা।

এমটবের মতে, টেলিযোগাযোগ খাত দীর্ঘদিন ধরে সরকারের অন্যতম বৃহৎ রাজস্বদাতা খাত এবং ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। খাতটির দীর্ঘমেয়াদি বিকাশ ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য নিয়ন্ত্রক পরিবেশ জরুরি।

এমএএইচ

শেয়ার করুনঃ