দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারের হার ৪৫, ল্যাপটপ ১০ ও ট্যাবলেট ২ শতাংশ
Published : ১২:১০, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ডিভাইস আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদনে যেতে পারলেই দেশের প্রযুক্তি খাতে টেকসই অগ্রগতি সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। শনিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’–এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) যৌথ আয়োজনে চার দিনব্যাপী এ এক্সপো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ব্যাটারি শিল্প ও মোবাইল উৎপাদনে শুল্ক কমানোর মতো নীতিগত উদ্যোগ ইতোমধ্যে ফল দিয়েছে। একইভাবে কম্পিউটার উৎপাদন সহজ করতে সরকার ও ব্যবসায়ীদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সুস্পষ্ট ব্যবসায়িক প্রস্তাব উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে সরকার আরও বাস্তবসম্মত নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। দেশের ডিভাইস বাজারের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারের হার ৪৫ শতাংশ, ল্যাপটপ ১০ শতাংশ এবং ট্যাবলেট ২-৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। তরুণ জনগোষ্ঠীর কারণে এ বাজার আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।
২০২৩০ সালের মধ্যে সব স্কুলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও ডিজিটাল লার্নিং নিশ্চিত করার লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সাশ্রয়ী ডিভাইস, কিস্তিতে বিক্রি, ই-কমার্সে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ডেলিভারি অথেন্টিকেশন ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, সরকার-ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়ার সমন্বয়ে একটি ডিজিটাল রূপান্তরিত বাংলাদেশ গড়তে এ এক্সপো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান বলেন, দেশীয় দক্ষতা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে কার্যকর নীতি ও ডিজিটালাইজেশন জরুরি। মানবসম্পদই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি।
সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া জানান, ভবিষ্যতে এই আয়োজন ঢাকা ছাড়িয়ে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এই প্রদর্শনী শেষ হচ্ছে আজ রাতে। গতকাল রাতে সমাপনীতে সেরা প্যাভিলিয়নের দেওয়া হয় শাওমি, লেনোভো ও টিপি-লিংক-কে। সেরা স্টল নির্বাচিত হয় ড্রিমটেক, জিনিউ ও স্কার্টার লিমিটেড।
এমএএইচ













